শনিবার, ২০ Jul ২০২৪, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
বাইলজকে বাফুফেরই বৃদ্ধাঙ্গুলি, ব্রাদার্সকে প্রিমিয়ারে সুযোগ আম্বানীদের বিয়েতে টালি শিল্পীরা, বিস্ফোরক মন্তব্য শ্রীলেখার রংপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির আয়োজনে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল : প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কোটা আন্দোলন: হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ তিস্তায় ভেসে আসা সেই লাশ ভারতের সাবেক মন্ত্রীর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন আটোয়ারী থানার ওসি মুসা মিয়া বন্যার পানি কমে স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষত, কৃষিতেই ক্ষতি ১০৫ কোটি টাকা রংপুরে পার্ক মোড় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আবু সাঈদের নামে নামকরণ




লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদ সিমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদ সিমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

কাওছার মাহমুদ লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি :
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সিমার উপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েকশো ঘর বাড়ি।
তলিয়ে গেছে ধান, বাদামসহ কৃষকের নানাজাতের অর্থকরী ফসলের ক্ষেত। বাড়িঘরে ঢুকেছে পানি, তলিয়েছে গ্রামীন রাস্তাঘাট। ফলে রান্না ও খাবারের জন্য দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

পানিউন্নায় বোর্ডে তথ্য মতে বুধবার (১৯ জুন)সন্ধ্যা ৬টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তা ব্যারেজে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ছুঁইছুঁই থাকলেও রংপুর কাউনিয়া পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলার ৫ টি উপজেলার মধ্যে হাতিবান্ধা ও সদরের কায়েকটি ইউনিয়নের শতাধিক ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় তলিয়ে গেছে ধান, বাদামসহ নানা ধরনের ফসলের ক্ষেত এবং গ্রামীণ রাস্তাঘাট। এতে চলাচলে দূর্ভোগ সৃষ্টি এবং খাবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা কমে আসায় অল্প পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও বন্যার সৃষ্টি হয় হলেও নদী খনন বা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয় না দাবি স্থানীদের।

চলাঞ্চল এলাকার মানুষের সাথে কথা বললে জানান, তিস্তার গর্ভে পলি পড়ে পানি ধারণ ক্ষমতা কমে আসায় অল্প পানি সৃষ্টি বন্যা ও নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে দ্রুতই নদীর খনন বা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের।

সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন বলেন কয়েকদিন থেকে ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী গ্রামগুলোতে তিস্তার পানি ঢুকছে। রাতে তিস্তার পানি আরও বাড়লে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে মানুষজন নিরাপদ চলে আসবে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সশুনীল কুমার রায় বলেন,তিস্তার বুকে পলি পড়ে পানি ধারণ কমে এসেছে। প্লাবিত হওয়া নিম্নাঞ্চলের পানি নেমে গেলে দেখা দিচ্ছে নদী ভাঙ্গন। তবে ভাঙ্গন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ রয়েছে বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com