মঙ্গলবার, ২৮ Jun ২০২২, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সব শহরে রেলের জন্য ওভারপাস করার নির্দেশ ডোমারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত টেক্সাসে লরিতে পাওয়া গেলো ৪৬ মরদেহ পীরগাছায় শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রকে মারপিট : বিচারের দাবিতে মানববন্ধন পীরগাছায় ছাগল ধরায় পেঁপেঁ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে ডোমারে গাভী পালন ও ব্যবস্থাপনা এবং পুষ্টি তথ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সড়কটি দেখলে মনে হয় এটি কোন চাষাবাদের জমি প্রধানমন্ত্রীর কন্যা পুতুলকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তি করায় সুন্দরগঞ্জে এক যুবক গ্রেফতার হিলিতে টিসিবির পণ্য বিক্রয় এর উদ্বোধন




কুড়িগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যায় ৬ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

কুড়িগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যায় ৬ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
দীর্ঘ ছয় বছর পর কুড়িগ্রামে জঙ্গি হামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে ৬ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল মান্নান এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস এম আব্রাহাম লিংকন এবং আসামিপক্ষে লিগ্যাল এইড নিয়োজিত অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর।

মামলার ৭ আসামির মধ্যে ৫ আসামি রাজীব গান্ধী, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী, ফিরোজ হাসান ওরফে মোখলেছ, মাহাবুব হাসান মিলন ও আবু নাছির ওরফে রুবেলকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

আসামি গোলাম রব্বানী পলাতক রয়েছে এবং মামলা চলাকালীন সময়ে আরেক আসামি সাদ্দাম হোসেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা আত্মস্বীকৃত জেএমবি সদস্য। হোসেন আলী হত্যার মধ্যদিয়ে তারা দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল এবং দেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর পায়তারা করেছিল। হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও বিস্ফোরক মামলায় কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

২০১৬ সালের ২২ মার্চ সকাল ৭টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলা শহরের গড়ের পাড় এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বের হয়েছিলেন মুসলিম থেকে খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী। ওঁৎ পেতে থাকা জঙ্গিরা এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। পরে জঙ্গিরা ভীতিকর অবস্থা তৈরি করতে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওইদিনই নিহতের ছেলে রাহুল আমিন আজাদ বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন।

একই বছরের ৫ নভেম্বর মামলাগুলোর অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। এরপর ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর আদালতে মামলাগুলোর অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলার মোট ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com