শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সুন্দরগঞ্জে ঝড়ো হাওয়ায় শতাধিক হেক্টর আমন ক্ষেত বিনষ্ট দেশের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাউনিয়ায় বন্যা কবলিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাউনিয়ায় বদরীন সন্মেলন অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে হামলায় ক্ষতিগ্রস্থদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা ডোমার পৌরসভায় গানে গানে জমজমাট উৎসবের আমেজে চলছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্থ জেলে পল্লী পরিদর্শন চোখের জল মুছে ফেলার আহবান স্বেচ্ছাসেবকলীগের কাউনিয়ায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি নিন্মাঞ্চলে বন্যা সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে জোর করে বিয়ে, এবার স্বামীর বিরুদ্ধেই যৌতুক মামলা করল সেই তরুণী




ঘরের টিন বেচে ‘গাঁজা’ খেলেন স্বামী-স্ত্রী

ঘরের টিন বেচে ‘গাঁজা’ খেলেন স্বামী-স্ত্রী

নিউজ ডেস্ক :
গাড়ি চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন নাজিম। করেছেন বিয়েও। কিছুদিন হলো তাকে গাড়ি চালাতে দিচ্ছেন না কেউ। নাজিম একজন মাদকসেবী বলে অভিযোগ মালিকদের। মা-বাবারও একই অভিযোগ। ছেলের ভয়ে বাড়ি ছেড়েছেন তারা। থাকেন আশ্রয়ণ প্রকল্পে।
টাকা না থাকায় মাদক সেবন করতে পারছিলেন না নাজিম। তাই ‘মাদকের টাকা’ জোগাড় করতে ঘরের টিন খুলে বিক্রি করেছেন তিনি। এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এখন ঘরের খুঁটি বিক্রির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের।

নাজিমের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাইমহাটি গ্রামে। তার বাবার নাম আবু সাইদ কুলু। সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলে।

বাবা আবু সাইদ কুলুর দাবি, প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে রঙিন টিন দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন। মাদকের টাকার জন্য নাজিম নিয়মিত তাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালানো শুরু করে। টাকা না দিলে বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেয়। এর মধ্যে সরকার থেকে দেওহাটা আশ্রয়ণ প্রকল্পে জমিসহ ঘর দিলে তিনি স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সেখানে চলে যান। নাজিম স্ত্রীকে নিয়ে এ বাড়িতেই থাকে। গাড়ি চালাতে না পেরে মাদকের টাকা জোগাড় করতে ঘরের বেড়ার টিন খুলে বিক্রি করতে শুরু করে। দু-একটা করে টিন খুলে বিক্রি করতে থাকে। তিন মাসের মধ্যে ঘরের সব টিন বিক্রি করে দিয়েছে।

নাজিমের চাচা আমজাদ হোসেন বলেন, ঘরটি ৩৫ হাজার টাকা দাম হয়েছিল। কিন্তু ওর মা বিক্রি করেননি। প্রতিদিন ১-২ ফাইল করে টিন খুলে বিক্রি করতে করতে সব টিন বিক্রি শেষ। নাজিম ও তার স্ত্রী একসঙ্গে মাদক সেবন করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একই অভিযযোগ নাজিমের বড় ভাই সাইফুলেরও। তার ঘরের টিনও খুলে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ তার। প্রতিবাদ করলে হত্যার হুমকি দেয় বলে দাবি সাইফুলের।

নাজিমের স্ত্রী নিজের মাদক সেবনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে স্বামী নাজিম গাঁজা সেবন করে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

অভিযুক্ত নাজিম বলেন, তিন ভাইকে অটোরিকশা কিনে দিয়েছেন বাবা-মা। আমাকেও একটা অটোরিকশা কিনে দিতে বলেছিলাম। ঘরটি বিক্রি করে একটি অটোরিকশা কিনে দিতে বলেছিলাম। বাবা-মা রাজি হননি। টাকার প্রয়োজন হওয়ায় টিন খুলে বিক্রি করেছি।

অভিযোগ পেলে আনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন মির্জাপুর থানার ওসি শেখ রিজাউল হক।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জোবায়ের হোসেন বলেন, মাদক সেবনের প্রমাণ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মধ্যমে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com