শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদীর ভাঙন থেকে ফুলহার গ্রাম রক্ষায় বাঁধ সংস্কারের দাবী বীরগঞ্জে দুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থী মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ কুড়িগ্রামে ‘এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি’ শীর্ষক অনুষ্ঠান আটোয়ারীতে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ কোনো শিক্ষার্থীর বিন্দুমাত্র করোনার উপসর্গ থাকলে জানাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী দৈনিক করতোয়া পত্রিকা পাঠকের হৃদয় জয় করেছে : রসিক মেয়র সৃজিতের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, মুখ খুললেন অভিনেত্রী ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক জনসম্পদ ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফুলবাড়ীতে কৃষিকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উলিপুরে কৃষক-প্রিয় হয়ে উঠেছে কেঁচো কম্পোষ্ট সার




সফল হলে তালি না হলে গালি: মাশরাফি

সফল হলে তালি না হলে গালি: মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্ক :
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ খেলেছে বাংলাদেশ। ফলে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে টাইগাররা। তবে এই সিরিজ স্কোয়াডে ছিলেন না তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাস এবং মুশফিকুর রহিম। তাদের পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যারা সুযোগ পেয়েছিলেন তারাও নিজেদের প্রমাণ করেছেন দারুনভাবে। আর সেই সফলতার ফল হিসেবে কিউইদের বিপক্ষে দলে জায়গা পেয়েছে উইকেটরক্ষক ও ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান।

সোমবার ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর কাছে জানতে চাওয়া হয় সোহানের একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে। ডমিঙ্গো বলেন, মুশফিক এবং সোহান দুজনেই খেলবেন। প্রথম ম্যাচে সোহান, পরের দুই ম্যাচে মুশফিক। এখানে যে ভালো করবে সে থাকবে শেষ ম্যাচে উইকেট রক্ষকের দায়িত্বে।

আর এই ব্যাপারটাই চোখে লেগেছে টাইগারদের সাবেক কাপ্তান মাশরাফি বিন মর্তুজার। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, বিশ্ব ক্রিকেটের দুজন সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটার সেটা আবার নিজ দলের খেলোয়াড়কে আপনি যুদ্ধ করে বাঁচতে বলবেন সেটা ড্রেসিং রুম পর্যন্ত থাকাই ভালো। অবশ্যই দলের স্বার্থ সবার আগে, দলের আগে কোনও খেলোয়াড় হতে পারেনা। কিন্তু যে ক্রিকেটার গুলো দেশের হয়ে খেলতে নামে তারা কোনও সহানুভূতি নিয়ে নয় বরং তার শরীরের সর্বোচ্চটুকু নিংড়ে দলে জায়গা পায়। আর মুশফিক সে গল্প আমরা সবাই জানি তার নিবেদন কি পর্যায়ে। বাংলাদেশের হাজার হাজার উঠতি ক্রিকেটারদের আইডল সে। সোহান সম্ভবত দলের সেরা কিপার সঙ্গে লিটন, এক সিরিজ গ্যাপে যোগ হলো মুশফিক।

এক দলে এতো কিপার এ তো আনন্দের, তা না হয়ে বের হয় বিষাদ। এতটুকু সামাল দিতে না পারলে তো সমস্যা যা এক পর্যায়ে দলের ভিতর অদৃশ্য এক বাজে প্রতিযোগিতা চলে আসবে। টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত তারা তাদের মতো করে নেবে এটাই তো স্বাভাবিক এবং অবশ্যই ভালোর জন্য নেবে। সফল হলে তালি না হলে গালি, যা সারা বিশ্বেই হচ্ছে। কে খেলবে, কোন পজিশনে খেলবে, কার রোল কি এগুলো তো দলের একান্ত পরিকল্পনা যা ড্রেসিং রুমে শুরু আবার ড্রেসিং রুমেই শেষ হয়। বাহিরে বলতে গেলে তো খেলোয়াড়ের ওপর চাপ সৃষ্টি হয় যা তার স্বাভাবিকতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।

মাশরাফি আরও লিখেন, আমি শুধু ভাবছি এতে কি সোহানের জন্যও খুব ভালো হলো যে ছেলেটা দুই ম্যাচে সব দেখিয়ে টিকে থাকতে হবে, তাহলে বিগত দুই সিরিজ সে যা করল তার কি হবে। আর লিটন কি বলবে এখন, ও তো কিপিং ভুলেই যাবে। আর মুশফিক কে পারফর্ম করতে হবে ১৬ বছর খেলার পর এটা বলে দেয়ার কিছু নাই, সে খুব ভালো করেই জানে বরং বাহিরে এভাবে বললে তার নিবেদনকে অসম্মানিত করা হয় যা তার প্রাপ্য না। সে সেরা ব্যাটসম্যান বলেই ১৬ বছর দেশকে সার্ভিস দিয়েছে। আবার দলের প্রয়োজনে তাকেই কিপিং করতে হতে পারে। তখন যদি সে না বলে সেটা কি ভালো শোনাবে। দলে প্রতিযোগিতা সব সময় দলের সেরাটা বের করে আনে তবে সেটা সুস্থ হতে হবে। কাউকে আঘাত করে নয়।

উদাহরণ টেনে মাশরাফি লিখেন, ১৬টা বছর যে মানুষটা বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সার্ভিস দিচ্ছে তাকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে আপনি যত বড় ক্ষমতাধর মানুষ হন না কেন একটু জায়গা বুঝে বলা উচিত। মুশফিক কি ভাবে জাতীয় দলে এসেছে তা সবাই জানে সিম্পলি তার ব্যাটিং দক্ষতা, একটা সময় পর্যন্ত বিশ্ব ক্রিকেটে শুধু কিপার হিসাবেই খেলা যেত তার উদাহরণ ভরি ভরি কিন্তু গিলক্রিস্ট আসার পর সব হিসাব পাল্টে যায়, যার সূত্র ধরে ইন্ডিয়া টিমে দেখেছি রাহুল দ্রাবিড়কেও কিপিং করতে হত যাতে দল সুবিধা মতো এক্সট্রা একজন ব্যাটসম্যান বা বোলার খেলাতে পারে। অবশ্যই সেটা লিমিটেড ক্রিকেটে।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com