শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদীর ভাঙন থেকে ফুলহার গ্রাম রক্ষায় বাঁধ সংস্কারের দাবী বীরগঞ্জে দুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থী মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ কুড়িগ্রামে ‘এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি’ শীর্ষক অনুষ্ঠান আটোয়ারীতে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ কোনো শিক্ষার্থীর বিন্দুমাত্র করোনার উপসর্গ থাকলে জানাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী দৈনিক করতোয়া পত্রিকা পাঠকের হৃদয় জয় করেছে : রসিক মেয়র সৃজিতের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, মুখ খুললেন অভিনেত্রী ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক জনসম্পদ ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফুলবাড়ীতে কৃষিকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উলিপুরে কৃষক-প্রিয় হয়ে উঠেছে কেঁচো কম্পোষ্ট সার




দুঃসময়ে বেফাঁস বয়ান!

দুঃসময়ে বেফাঁস বয়ান!

রহিম আব্দুর রহিম
একসময় বায়ুবাহিত ভাইরাস জনিত ‘গুটিবসন্ত’ নামক রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা গেছে। কোন গ্রামে ওই রোগ দেখা দিলে গ্রামের পর গ্রামের মানুষ মরে সাবাড় হয়ে যেতো বলে শুনেছি। পানিবাহিত ‘ডায়রিয়া-কলেরা’ নামক রোগে মানুষ মারা যাওয়ার ঘটনা শুধু শুনি নি, দেখেছি। এখনও ‘জলবসন্ত’ এবং ‘চোখওঠা’ নামক ভাইরাস জনিত রোগ-ব্যধিতে জনমানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। তবে তেমন না। আধুনিকতার পরম ছোঁয়া, উন্নত ধ্যান-ধারনায় চিকিৎসা সেবায় আমরা এখন নিরাপদ। ওই সময় ‘কলেরা’, ‘ডায়রিয়া’ মহামারি ঠেকানোর জন্য পানি ফুটিয়ে বা আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাতে তৈয়ার ‘গুড়-লবনে’র স্যালাইন পান করাটাকে নিরামক হিসেবে গ্রামের সবাই গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করত। তখন মহামারি ঠেকাতে একসময় বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপনসহ আধুনিক প্রযুক্তি আমরা গ্রহণ করেছি,ফলে এখন আমরা নিরাপদ।কাল-কালান্তরে ‘রোগ-বালাই’ দুর্যোগ-মহামারির আবির্ভাব ঘটেছে। আবার তা থেকে বাঁচার জন্য উপায়ও বের হয়েছে।
জগৎ-পরিমন্ডলের সকল দুঃসময় ঘিরে মানবজাতি পরিত্রাণের জন্য সংঘবদ্ধভাবে চেষ্টা চালিয়েছে। অন্ধকারে আলোর পথ খুঁজেছে। যে যুগে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল না ওই যুগেও মানুষ মানুষকে জাগিয়ে তুলেছে। এখন আধুনিক যুগ, সেকেন্ডে তথ্য-উপাত্ত ‘উদঘাটন’ বা ‘সরবরাহ’ সম্ভব। এরপরও অন্ধকার কাটিয়ে আলোর পথ না পাওয়ার কারণ বহুবিধ। ‘রাজনৈতিক হেয়ালিপনা’, ‘অজ্ঞতা’, ‘একঘেয়েমি’, ‘অহংকার’, ‘হিংসা’, ‘কুসংস্কার’, ‘ধর্মীয় অন্ধত্ব’, ‘অশিক্ষা-কুশিক্ষা’। বিশ^ এখন বৈশি^ক ব্যধি কোভিড-১৯ ‘করোনা’ নামক ‘মহামারি’ থেকে ‘অতিমারি’ সময় পার করছে। এই ‘মহামারি’ বা ‘অতিমারি’র হাত থেকে উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশ বাদ যায় নি। বরং দেশটাতে অপরিকল্পিত প্রচারণা, বিশৃঙ্খল পরিকল্পনা, অতিউৎসাহীদের অতিকথন, গুটিকয়েক মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন নেতিবাচক কর্মকান্ডই ‘গুদের ওপর ফোড়ার ঘাঁ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
গত ২৪ জুলাই একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক সংবাদকর্মী গবেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘যদি একদিন দেশের উৎপাদন বন্ধ থাকে, অর্থাৎ লকডাউন রাখা হয় তবে দেশের দৈনিক লোকসান ৩ হাজার ৩ শ’ কোটি টাকা।’ সে হিসেবে এবার দেশের ৫০ হাজার কোটি টাকা লোকসানের একটি লকডাউন চলছে। এর আগে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ‘ছোট’, ‘বড়’, ‘মাঝারি’ কয়েক কিস্তির লকডাউনে এদেশের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরনীয়। হাজার বছর পিছানোর ইতিহাস। যেখানে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চ‚ড়ান্তভাবে বিপর্যস্ত। আজ আমরা যে অবস্থার সম্মুখীন হয়েছি এর খেসারত বহন করতে হবে যুগ যুগ। এ থেকে পরিত্রাণের পথ উন্নয়নশীল এই দেশের জ্ঞানী-গুণী, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, বুদ্ধিজীবিমহল আবিষ্কার করতে পারে নি। তবে চীনে আবিস্কৃত কোভিড-১৯ এর হাত থেকে রক্ষা পেতে সহজ পদ্ধতি ‘লকডাউন’ প্রেসক্রাইব সারা বিশ^ গ্রহণ করেছে। অথচ এই লকডাউন করোনা প্রতিরোধের একমাত্র উপায় নয়। এটি একটি অনুটিপ্স, যা উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। তবে উপায় কোনটি? এমন প্রশ্ন মাথায় রেখে প্রতিবেশি দেশ ভারতের ‘হিডকো’ নামক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিকল্প উপায় খুঁজে বের করেছেন। ‘এর মধ্যে করোনা প্রতিরোধে টিকা প্রদান, আক্রান্তদের পুষ্টিকর খাবার প্রদান এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়মিত শারিরীক ব্যায়ামে সম্পৃক্ত করা।’ সম্প্রতি ওই সংস্থার চেয়ারম্যান দেবাশীস সেন এক মিডিয়ায় দেয়া সাক্ষাতকারে কথাগুলো বলেছেন। ভারতের পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ‘দুয়ারে ভ্যাক্সিন’ নামক প্রকল্প চালু করে বিশে^ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দেবাশীস সেনের ভাষায়, ‘একজন গাড়ির ড্রাইভার কিংবা একজন সবজী বিক্রেতা তার কর্ম ফেলে আমাদের কাছে আসলে তার ক্ষতি হবে, আমরা তা করতে চাই না। যে কারনেই আমরা তার কাছে চলে যাচ্ছি।’ তার এই বক্তব্য প্রমাণ করে, কোনভাবেই কর্ম, চলাচল প্রতিরোধ নয়, বরং বিকল্প পন্থায় করোনা ঠেকানোর যৌক্তিক পথ অবলম্বন।

একইভাবে আমাদের দেশের পরিকল্পনাবীদ ও পরামর্শকদের উচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থের উপলব্ধি গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নে আত্মনিয়োগ করা। ওই গ্রন্থের ৮৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন, ‘গ্রামে গ্রামে দল বেঁধে ডাকাত ধরা শুরু হয়েছে। আর সরকার খুব তৎপর হয়ে গ্রামের লোকদের সাহায্য করছে। আস্তে আস্তে ডাকাতি অনেক কমে গেছে। এখনও মাঝে মাঝে ডাকাতি হয়, তবে খুব কম। এক কথায় জনগণকে সাহায্য করলেই সবকিছুই করা সম্ভব। শুধু জুলুম করে ও আইন করে এই সমস্ত অন্যায় কাজ বন্ধ করা যায় না। এর সাথে সুষ্ঠু কর্মপন্থার প্রয়োজন। চীন সরকার সেই দিকে নজর দিয়েছে বলে মনে হলো।’ বঙ্গবন্ধুর এই উপলব্ধিকে আমরা কাজে লাগাতে পেরেছি কি না? আমাদের দুঃসময়ে লকডাউন কার্যকর করতে যে শ্রম, অর্থ, মেধা, সময় সরকার ব্যয় করছে, তা কতটুকু কাজে আসছে? এই অর্থ গনজাগরণ সৃষ্টিতে পরিকল্পিতভাবে ব্যয় করা হলে, একদিকে উন্নয়ন গতি সচল থাকতো, অন্যদিকে করোনা প্রতিরোধে জনমানুষ স স অবস্থান থেকে সচেষ্ট হতো। বঙ্গবন্ধুর এই গ্রন্থের ৯০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত, ‘গরীবদের ৫ টাকায় ১ মণ পাট বিক্রি করে ৪ টাকায় ১ সের ডাল-তেল কিনতে হয় না তাদের দেশে। প্রত্যেক এলাকাতে সরকারি দোকান আছে, সে দোকানে সস্তায় সমস্ত জিনিস পাওয়া যায়। কোন দোকানদার ইচ্ছা করলেই বেশি দাম নিতে পারে না। কারণ, যদি লোকে জানতে পারে যে কোন দোকানদার বেশি দাম নিচ্ছে, তখন তারা সরকারি কর্মচারীদের খবর দিয়ে নিজেরাই ধরাইয়া দেয় এবং মিটিং করে ঠিক করে ঐ দোকানদারের দোকানে কেউ জিনিসপত্র কিনতে পারবে না। এতে চাষিদের যথেষ্ট উপকার হয়েছে। দেশের ভিতর গনজাগরণ এসেছে বলে এটা সম্ভবপর হয়েছে।’ প্রশ্ন, করোনাকালে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর দীর্ঘ দেড় বছরেও কেনো গনজাগরণ সৃষ্টি করা গেল না। উত্তর সোজা-সাপটা, বঙ্গবন্ধুর উপলব্ধি বা গবেষণা কেউ গ্রহণ করে নি বলেই নিজস্ব পরিকল্পনা নেই। ধার করা প্রেসক্রাইব গ্রহণ করতে হয়েছে। যা কিনা আওয়ামীলীগের মত প্রাচীন একটি সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের জন্য দুঃখজনক; গোটা জাতির জন্য যা হতাশাজনক; সরকারের জন্য বিব্রতকর অবস্থা।
করোনাকালেই আমরা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কাদের এর মত প্রবীণ নেতার মুখে শুনেছি, ‘আমরা করোনার চেয়েও শক্তিশালী।’ ওই সময় তাঁর বক্তব্য শুনে মনে হয়েছিল, এই অদৃশ্য করোনা অতিমারি প্রতিরোধে আওয়ামীলীগ প্রান্ত থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত গনজাগরণের একটি বৃহৎ কার্যক্রম শুরু করবে। দীর্ঘ সময়ে কিছুই হয় নি। বরং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গুরুত্বহীন বক্তব্য শুনেছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বলেছিলেন, ‘করোনা মোকাবেলা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কাজ না, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কাজ চিকিৎসা প্রদান।’ কি হাস্যকর বয়ান! তবে এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৪ জুলাই কোভিড-১৯ সংক্রমন সম্পর্কীত এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে বলেছেন, ‘২১ কোটি ভ্যাক্সিনের ব্যবস্থা হয়েছে। আগামী বছর পর্যন্ত সেগুলো পর্যায়ক্রমে দেশে আসবে।’ তার এই তথ্যে অন্ধকারে আলোর বিচ্ছুরণের আভাস। খালেদা জিয়া ভ্যাক্সিন গ্রহণ করার সংবাদটি প্রচার হবার পর প্রায় মানুষই খুশি হয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই ধন্যবাদ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের ইতিবাচক সংস্কৃতির প্রভাব উঁকি-ঝুঁকি দেওয়ার ধারনা মানুষের মাঝে সৃষ্টি হচ্ছিল। তবে তা টিকে নি। কারণ, সরকার দলীয় এক দায়িত্বশীল নেতা খালেদা জিয়ার ভ্যাক্সিন গ্রহণকে রাজনীতির বাঁকা চোখে দেখেছেন। ওই নেতা তিরস্কার করে বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার ভ্যাক্সিন গ্রহণ ‘নাকেখত’ দেওয়ার মত ঘটনা।’ জাতি এগুলো শুনতে চায় না, শুনতে চায়, ভারত থেকে ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন বাংলাদেশে পৌঁছেছে, লকডাউন ওঠে গেছে, স্বাস্থ্যবিধি সবাই মানছে, স্কুল-কলেজ চালু হয়েছে, পরীক্ষা হচ্ছে, অটোপাশ বিলুপ্ত হয়েছে, লকডাউনের নামে জরিমানা-গ্রেফতার বন্ধ, ইত্যাদি।
জাতির ক্রান্তিলগ্নে পৃথিবীর সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের যে অবদান তা অনস্বীকার্য। ‘অতিকথন’ সবসময় গ্রহণযোগ্য নয়। ২৩ জুলাই একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক সংবাদকর্মী খেঁটে খাওয়া,পায়ে হেঁটে পথচলা এক মহিলাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘আপনি লকডাউনে ঢাকায় ফিরছেন কেনো?’ মহিলা উত্তর দিয়েছেন, ‘আজ লকডাউন তা তো জানি না।’ এমনটি কেন হবে? হিসেব অনুযায়ী সারা দেশে মোট গ্রাম ৮৭ হাজার ৩১৯ টি। প্রত্যেক গ্রামের মসজিদে রয়েছেন একজন ইমাম, একজন খেদমতকারী। তারা কেন রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য নামাজীদের বলে নি। ধরে নিলাম তারা এটা বলতে রাজী নন, কারণ তাদের অনেকেই মনে করেন করোনা ‘আল্লাহর গজব’। সারাদেশের মোট ৪ হাজার ৫৭১ টি ইউনিয়নের ওয়ার্ড সংখ্যা ৪১ হাজার ১৩৯ টি। প্রত্যেক ওয়ার্ডে রয়েছেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ এর মত শক্তিশালী সংগঠনের একজন সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক। এতে করে প্রত্যেক ওয়ার্ডে ৮ জন করে রাজনৈতিক কর্মী থাকার পরও দেশে করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, মাক্স পরার মত গনজাগরণ সৃষ্টি করা কেন সম্ভব হচ্ছে না? প্রতিটি ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডের সারা দেশেমোট ৩ লাখ ৭০ হাজার ২৫১ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি গণসচেতনতার কাজে না লাগিয়ে, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বশীলরা কেনো ঘন ঘন মিডিয়ায় বাণী ছাড়ছেন? দেশের ক্রান্তিকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব সম্পদ ছাত্র সমাজ। অথচ এই ছাত্র সমাজ করোনা ইস্যুতে ঘরবন্দি থাকবে কেনো? তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গনজাগরণে এবং দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষায় সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৫১ হাজার ৬০৮ টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসেবীদের কেন গণজাগরণ সৃষ্টিতে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না?

‘লকডাউন’, ‘সাটডাউন’ বা ‘কঠোরবিধিনিষেধ’ নয়, গনজাগরণ সৃষ্টি করতে ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক প্লাটফর্ম পরিকল্পিতভাবে মাঠে নামতে পারলে বিশে^ বাংলাদেশ,‘মহামারি’, ‘অতিমারি’ প্রতিরোধে রোল মডেল হিসেবে স্থান পাবে। এতে কোন সন্দেহ নেই।
লেখক, গবেষক, নাট্যকার, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com