বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ১ মাস ধরে গণধর্ষণ তরুণীদের অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, অবশেষে ধরা স্ত্রীকে খালোতো ভাইয়ের হাতে তুলে দিল স্বামী, রাতভর ধর্ষণ রংপুরের লেখকেরা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে সকল জল্পনাকল্পনার অবসান পীরগাছায় চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের আনুষ্ঠানিক প্রচারনার উদ্বোধন হিলিতে মাস্ক না পড়ায় পথচারিদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা হিলিতে পাথর বোঝাই ট্রাক ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে ছিনতাইকারি আটক রংপুর মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়ায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু




মরহুম জুয়েলের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে পরিবার ও এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

মরহুম জুয়েলের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে পরিবার ও এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোটার :
মরহুম আবু ইফনুছ মোঃ সহিদুন্নবী জুয়েলের হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার পরিবার ও এলাকাবাসী। লিখিত সংবাদ সম্মেলন পাঠ করেন এলাকাবাসীর পক্ষে সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি।
তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ ইং তারিখে লালমনির হাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে কোরআন অবমাননার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যা করে, তারপর জুয়েলের মরাদেহ পাষন্ডরা আগুনে পুড়িয়ে ভস্মিভূত করে ফেলে। একটি সমাজে এ সব ঘটনা বিস্ময়কর, অভাবনীয় ও গভীর উদ্বেগজনক। ঘটনার সময় সেখানে ইউএনও, ওসি, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপস্থিত থেকেও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। পাশাপাশি সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যানের উস্কানীমূলক বক্তব্যে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয় ও সদস্য হাফিজুল ইসলাম মরহুম জুয়েল কে মারপিট করে শার্টের কলার ধরে টেনে হিচড়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে যায়। তারপরেও তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয় নি।
সাংবাদিক বৃন্দ, জুয়েল নিহত হওয়ার পর হতে উত্তাল ছিলো রংপুর। সাংবাদিকদের লেখণীর মাধ্যমে সব সময় সহযোগীতা করেছে তাই সাংবাদিকদের ধন্যবাদ। আমরা জুয়েল হত্যার দায়ে তিনটি দাবি জানিয়েছিলাম, ১) সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষনা দিয়ে জুয়েলকে কোরআন অবমাননার দায় থেকে মুক্তি।(যা ইতিমধ্যে করা হয়েছে তাই সরকারকে ধন্যবাদ)। ২) জুয়েলের হত্যাকারীদের দ্রæত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় নিয়ে আসা (অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে আবার অনেকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে)। ৩) জুয়েলের অসহায় পরিবারের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।
প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ, জুয়েল আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আর ফিরে আসবে না। জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা একজন গ্রাজুয়েট। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাচ্ছি তার দয়ার হাতটি বাড়িয়ে দিতে। জুয়েলের স্ত্রীকে একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দিলে তার পরিবার, ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাকি জীবন কাটাতে পারবে। এই ভেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনটি দাবি উপস্থাপন করছি।
জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে একটি সরকারী চাকরি দেয়া হোক। ২) হত্যাকারী, খুনীরা যারা এখনো গ্রেফতার হয় নি, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। ৩) জুয়েল হত্যার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে করা হোক। ৪) ন্যায় বিচারের স্বার্থে জুয়েল হত্যার মামলাটি রংপুরে হস্তান্তর করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে জুয়েলের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, বোন, আত্বীয়-স্বজন ও এলাকাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com