বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
তেঁতুলিয়ায় গৃহবধূকে মেরে ভিটে ছাড়া করলো শ্বশুরবাড়ির লোকজন দাওয়াত খেতে যাওয়ার সময় ট্রাক্টরের চাপায় প্রাণ গেল শ্রমিকের গাইবান্ধায় মাদক মামলায় বাস সুপারভাইজারের মৃত্যুদণ্ড গোবিন্দগঞ্জে মসজিদ-মন্দিরের উন্নয়ন ও গরিব অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান ফুলবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট গ্রহন রাজারহাটে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবাদ সম্মেলন পীরগঞ্জে ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতির হাতে করোনা ভ্যাকসিন দিতে আসা স্বাস্থ্যকর্মী লাঞ্ছিত কাউনিয়ায় কৃষি ঋণ বিষয়ক গণশুনানি বীরগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ পঞ্চগড় সদর উপজেলার হলরুমে আবারো হাতে কলমে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ




কুড়িগ্রামে টুপি তৈরী করে গ্রামীন নারীরা স্বাবলম্বী

কুড়িগ্রামে টুপি তৈরী করে গ্রামীন নারীরা স্বাবলম্বী

ফয়জার রহমান রানু, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের গ্রাম্য নারীরা টুপির উপর নকশা তৈরির মাধ্যমে বাড়তি আয়য়ের উপায় খুজে পেয়েছে। গৃহিনীরা সাংসারিক কাজ-কর্ম ও স্কুল-কলেজের ছাত্রীরা লেখা-পড়ার ফাঁকে অলস সময়কে কাজে লাগিয়ে নিপুন হাতে সুই-সুতা দিয়ে তৈরি করছে টুপি। চুক্তিতে নেয়া এ সব টুপি প্রস্তুত হওয়ার সাথে সাথেই তাদের নির্ধারিত শ্রমের মূল্য দিয়ে পাইকাররা ক্রয়করে তা মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বিক্রি করছেন। এতে গ্রামীণ নারীদের আনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে। এ সব টুপি সেলম্যানরাই তাদের হাতে দিয়ে যাচ্ছেন, তাই তাদেরকে এ কাজে টাকা বিনিয়োগ করতে হয় না বলে তারা উৎসাহের সাথে কাজ করে শ্রমের মূল্য চুকিয়ে নিচ্ছেন।
জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ও থেতরাই ইউনিয়নের পাতিলাপুর ও খামার গ্রাম এখন টুপি তৈরির গ্রাম হিসাবে পরিচিত। এ গ্রামের টুপি তৈরির কাজটি বর্তমান আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামেও ছরিয়ে পড়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের মনিডাকুয়া, ঝাড়িঝাড়, বাছরা, চিলমারীর শরিফেরহাট পাড়া, ফকিরেরহাট পাড়া, বালাবাড়ী ও উলিপুরের ২ ইউনিয়নের ২০ টি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার নারী এই কাজে নিজেকে নিয়জিত করে বার্তি আয়ের উপায় খুজে নিয়েছে। তারা নিপুন হাতে আকর্ষনীয় কারুকার্যে ফুটে তোলা তৈরী টুপি সরবারহ করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে। এ কাজে বেশীরভাগ স্কুল-কলেজ পড়–য়া অভাবী পরিবারের মেয়েরা পড়া-লেখার পাশাপাশি এ কাজে নিজেকে জড়িয়ে পড়া-লেখার খরচ জোগাচ্ছে। সাক্ষাত কালে এমনি কতক নারী জোছনা বেগম, রুহেনা বেগম, মিনা বেগম ও মারুফাসহ বেশ কয়েক জন জানালেন, ভালো মানের একটি টুপি তৈরী করতে অনেক সময় লাগে। পাইকাররা এসে নগদ টাকায় নিয়ে যায়। নকশার প্রকার ভেদে পাইকাররা নারীদের কাছ থেকে টুপিপ্রতি সাড়ে ৪’শ থেকে ৬’শ টাকা পর্যন্ত শ্রমের মুল্য দিয়ে নিয়ে বিদেশে চড়াদামে তা বিক্রি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com