বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:০৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ১ মাস ধরে গণধর্ষণ তরুণীদের অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, অবশেষে ধরা স্ত্রীকে খালোতো ভাইয়ের হাতে তুলে দিল স্বামী, রাতভর ধর্ষণ রংপুরের লেখকেরা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে সকল জল্পনাকল্পনার অবসান পীরগাছায় চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের আনুষ্ঠানিক প্রচারনার উদ্বোধন হিলিতে মাস্ক না পড়ায় পথচারিদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা হিলিতে পাথর বোঝাই ট্রাক ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে ছিনতাইকারি আটক রংপুর মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়ায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু




মাকে হত্যার পর কসাই ডেকে পাঁচ টুকরো, মরদেহ ছিটানো হলো ধানক্ষেতে

মাকে হত্যার পর কসাই ডেকে পাঁচ টুকরো, মরদেহ ছিটানো হলো ধানক্ষেতে

নিউজ ডেস্ক :
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউপির জাহাজমারা গ্রামে ধানক্ষেত থেকে নুরজাহান নামে এক নারীর মরদেহের পাঁচ টুকরা উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মামলার বাদী ওই নারীর ছেলে হুমায়ুন কবির। তাকে সহযোগিতা করেছেন তার দুই আত্মীয়, এক কসাই বন্ধুসহ সাতজন।
মায়ের জিম্মায় আনা সুদের টাকা পাওনাদারদের না দিয়ে বাঁচতে এবং পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই মাকে হত্যার পরিকল্পনা নেন হুমায়ুন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

গত ৭ অক্টোবর জাহাজমারা গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেত থেকে পুলিশ ওই নারীর মাথা ও দেহের একটি অংশ এবং পরদিন দুপুরে আরো তিনটি অংশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় নিহত নুরজাহান বেগমের ছেলে হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় মামলা করেন। ঘটনার ১৫ দিন পর বেরিয়ে এলো হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছেলে হুমায়ুনই। হুমায়ুনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনো দুইজন পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার দুইজন দোষ স্বীকার করে আগেই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার হুমায়ুর কবিরও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা এসপি আলমগীর হোসেন জানান, হুমায়ুন কবিরের সৎভাই বেলাল দেড় বছর আগে মারা যান। বেলাল গরু পালন, মাছচাষ ও ব্যবসা করার জন্য বেসরকারি সংস্থাসহ (এনজিও) মহাজনদের কাছ থেকে চার লাখ টাকা সুদে ঋণ নেন। বেলাল মারা যাওয়ায় ওই কিস্তির দায় এসে পড়ে তার মা নুরজাহান বেগমের ওপর। কিস্তি পরিশোধের জন্য মহাজন ও এনজিওকর্মীরা হুমায়ুন এবং তার মাকে চাপ দিতে থাকেন। এ জন্য হুমায়ুন তার মাকে সৎভাই বেলালের নামে থাকা জমি বিক্রির অনুরোধ করেন। এতে নুর জাহান রাজি হননি। এ নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর জেরেই হুমায়ুন মাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

এসপি আরো জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হুমায়ুন তার মামাতো ভাই কালাম ওরফে মামুন, মামাতো বোনের স্বামীসহ সাতজনকে নিয়ে ৬ অক্টোবর রাতে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে নেয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী গভীর রাতে তারা নুরজাহান বেগমকে ঘুমের মধ্যে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন। পরে পেশাদার কসাই নুর ইসলাম লাশ পাঁচ টুকরা করে রাতেই পাওনাদার একই গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY BinduIT.Com