মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বেহাল অবস্থা আটোয়ারীতে মাছের ভাসমান খাদ্য তৈরীর মেশিন বিতরণ গোবিন্দগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালের উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অক্টোবর-নভেম্বরে বাড়তে পারে করোনা সংক্রমণ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তফার সাথে কর্মচারী ইউনিয়নের উপদেষ্ঠা এবং এডহক কমিটির নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় হিলিতে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে সিটি এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের উদ্বোধন নীলফামারী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আবুজার রহমানের ওপর হামলা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নিক্সন গ্রেফতার পঞ্চগড়সহ সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন




উলিপুরে অনামিকার প্রেমের কাছে হার মানলেন বাবা সাধু প্রফুল্য দাস

কুড়িগ্রাম জেলা

ফয়জার রহমান রানু,উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রেম মানেনা জাত-কুল কথাটি আবারও সত্য প্রমান করলো অনামিকা দাস। উলিপুরের অনামিকা দাস অরফে টুনি রানী (১৬) নামের এক কিশোরী প্রেমের টানে পিতৃধর্ম পরিত্যাগ করে ধর্মান্তরিত হয়ে পার্শ¦বর্তী রাজারহাটের বাছরা গ্রামের সাজু মিয়র সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন।
ঘটনার বিবরনে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার উত্তর দলদলিয়া (মাঝিপাড়া) গ্রামের সাধু প্রফুল্য দাসের স্কুল পড়–য়া কিশোরী কন্যা অনামিকা দাস, পার্শ্ববর্তী নাজমিখায় খিরোদ চন্দ্র মাস্টারের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট পড়তেই নাজিমখান পাশ্ববর্তী বাছরা (মাঠেরপাড়) গ্রামের আইনুল হকের কলেজ পড়–য়া পুত্র সাজু মিয়ার (২২) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেম নিবেদন শুরু হয়। একটানা ৪ মাস ধরে মন দেয়া-নেয়া চলে তাদের। এমতাবস্থায় যখন গভীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিল তখন তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশেষে গত ১৯ সিপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার প্রেমিক যুগোল উভয় পরিবারের অজান্তে গোপনে ঢাকায় চলে যায়। সেখানে গত ২০ সিপ্টেম্বর অনামিকা দাস নোটারী পাবলিক কোর্টের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে প্রেমিক সাজুর সাথে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন বলে একটি ভিডিও ফুডেজে অনামিকার স্বীকারোক্তি মুলক জবান বন্ধিতে জানা যায়। তবে তার পরিবর্তিত নাম কি তা জানা যায়নি।
এদিকে অনামিকা দাসের বাবা সাধু প্রফুল্য দাস সাজুর বাবা আইনুল হকের বাড়ীতে এসে মেয়ে অনামিকার সাথে দেখা করতে চান এবং নাবালিকা কন্যাকে ফেরতের দাবী জানান। কিন্তু আইনুল হক এতে অপারোগতা প্রকাশ করেন। ফলে ব্যর্থ হয়ে প্রফুল্য দাস বাদী হয়ে রাজারহাট থানায় একটি নারী ও শিশু অপহরণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ সেদিনই আইনুল হকসহ তার বড় পুত্র মানিক মিয়াকে গ্রফতার করে জেল হাজতে পাঠান। অপর দিকে ১২ দিন থেকে আদুরে টুনিকে না দেখে কন্যাশোকে কাতর হয়ে পরেছেন মা বিফুলা রানী। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে যেখানেই থাকুক, তার নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করেন।’ এব্যাপারে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অনামিকা দাসকে উদ্ধারের তৎপরতা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন







© All rights reserved © uttorersomoy.com
Design BY NewsMoon.Com